«

»

Print this Post

ওয়েবের বেসিক কনসেপ্টঃ

ইন্টারনেট কীঃ ইন্টারনেট কম্পিউটিং রিসোর্সের একটি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক। আমরা ইন্টারনেটকে শেয়ারড রিসোর্স হিসেবে রাউটার ও সার্কিটের ফিজিকাল কালেকশন হিসেবে দেখতে পারি। আগে এর কিছু কমন সংজ্ঞা দেয়া হত যার মধ্যে আছে,

• যেসব নেটওয়ার্ক টিসিপি/ আইপি কমুনিকেশন প্রটোকল মেনে চলে তাদের নেটওয়ার্ক,
• সেই নেটওয়ার্ক ডেভলাপ ও ব্যবহার করে এমন লোকেদের কমিউনিটি

ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবাঃ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা কিছু মৌলিক সুবিধা ভোগ করে থাকে, সেগুলো হল,
ইমেইলঃ সাড়া বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা অন্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সাথে দ্রুত, সহজে ও কম খরচে যোগাযোগের উপায় হল ইমেইল।
টেলনেটঃ কোনও ইউজারকে লোকাল সিস্টেমের মত কোনও রিমোট কম্পিউটারে লগ ইনের সুযোগ দেয়।

এফটিপিঃ কোনও ইউজারকে ইন্টারনেট সংযুক্ত এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে যেকোনো ফাইল স্থানান্তরের সুবিধা দেয়।
ইউজনেট নিউজঃ এটি একটি ডিস্ট্রিবিউশন বুলেটিন বোর্ড যা সহস্র বিষয়ে আলোচনা ও তথ্যের সার্ভিস দেয়।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবঃ ইন্টারনেট ইনফরমেশন রিসোর্সের একটি হাইপারটেক্সট রিসোর্স।

থ্রি ডবলু কী?
থ্রি ডবলু বলতে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবকে বোঝায়। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের একটি টেকনিক্যাল সংজ্ঞা হল, ইন্টারনেটের সকল ব্যবহারকারী আর রিসোর্স যা হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল বা এইচটিটিপি ব্যবহার করে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম বা ডবলুথ্রি সি যে সংজ্ঞা সমর্থন করে তা হল, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হল নেটওয়ার্ক এক্সেসিবল তথ্যের জগত, যা মানব সভ্যতার তথ্যভাণ্ডার বলে বিবেচিত হতে পারে।
সহজ কথায় বলতে গেলে, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হল ইন্টারনেটে সংযুক্ত কম্পিউটারের তথ্য আদানপ্রদানের উপায়, আর সমন্বিত মাল্টিমিডিয়া রিসোর্সের বিশাল ভাণ্ডার।

এইচটিটিপি কী?
এইচটিটিপি হল হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল। এটি সেই প্রটোকল যা হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটির জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব সম্ভব হয়েছে। আদর্শ ওয়েব এড্রেস যেমন Yahoo.com হল ইউআরএল , আর এর প্রেফিক্স এইচটিটিপি এর প্রটোকল নির্দেশ করে।

ইউআরএল কীঃ ইউআরএল মানে ইউনিফরম রিসোর্স লোকেটর। এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ঠিকানা খুঁজে পেতে ব্যবহৃত হয়। ওয়েবে সংযুক্ত যেকোনো রিসোর্স সনাক্ত করার জন্য এটি মৌলিক নেটওয়ার্ক। ইউআরএল নিচের ফরম্যাটে থাকে।

protocol://hostname/other_information

কোনও লিঙ্ক থেকে কীভাবে তথ্য ট্রান্সফার হয় তা নির্ধারণ করে প্রটোকল। ওয়েব রিসোর্সের জন্য যে প্রটোকল ব্যবহৃত হয় তা হল হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল। অন্য প্রটোকলগুলো এফটিপি , টেলনেট, নিউজগ্রুপ আর গোফারসহ সাথে বেশিরভাগ ব্রাউজারের সাথে কাজ করতে সক্ষম। প্রটোকলের পরে একটি কোলন, দুটি স্ল্যাস, আর তারপর ডোমেইন নেম থাকে।

নির্দিষ্ট কোনও ফাইল বা সাবডিরেক্টরির লিঙ্ক থাকলে তা ডোমেইন নেমের পরে নির্ধারিত থাকে।ডিরেক্টরির নাম সিঙ্গেল ফরোয়ার্ড স্ল্যাসের মাধ্যমে পৃথক করা থাকে।

ওয়েবসাইট কীঃ এই মুহূর্তে আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট Tutorialspoint.comতে আছেন যা এইচটিএমএল মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা অনেকগুলি পেজের সমষ্টি। এটি এমন একটি লোকেশন যেখানে লোকজন সর্বশেষ প্রযুক্তির উপর টিউটোরিয়াল পেতে পারেন। এরকম লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট ইন্টারনেটে আছে। ওয়েবসাইটে পাওয়া প্রতিটা পেইজকে ওয়েব পেইজ বলা হয়। আর কোনও সাইটের প্রথম পেজকে তার হোমপেজ বলে।

ওয়েব সার্ভার কাকে বলে?
প্রতিটা ওয়েবসাইট যে কম্পিউটারে প্রতিষ্ঠিত আছে তাকে ওয়েব সার্ভার বলে। এই সার্ভার সবসময় ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে। ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সকল ওয়েব সার্ভারের একটি স্বতন্ত্র এড্রেস থাকে, যা ০ থেকে শুরু করে ২৫৬ পর্যন্ত কোনও চার সংখ্যার সিরিজের মাধ্যমে প্রকাশিত আর যা পিরিয়ড দ্বারা পরস্পর থেকে পৃথক করা। যেমন, 68.178.157.132 অথবা 68.122.35.127।
যখন আমরা ওয়েব এড্রেস রেজিস্টার করি, যাকে ডোমেইন নামও বলা যায়, যেমন tutorialspoint.com, তখন আমাদের ওয়েব সার্ভারের আইপি এড্রেস নির্ধারণ করতে হয়, যা সাইটকে হোস্ট করবে।

ওয়েব ব্রাউজার কী?
ওয়েব ব্রাউজার আমাদের পিসিতে ইন্সটল করা সফটওয়ার। ওয়েবে ঢুকতে আমাদের একটি ওয়েব ব্রাউজার দরকার, যেমন নেটস্কেপ ন্যাভিগেটর, মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার অথবা মজিলা ফায়ারফক্স। আমাদের সাইট tutorialspoint.com নেভিগেট করার সময় আপনি অবশ্যই কোনও ব্রাউজার ব্যবহার করছেন। ওয়েবে কোনও পেজ ইনফরমেশনের জন্য নেভিগেট করাকে সাধারণত ব্রাউজিং বা সার্ফিং বলা হয়।

এসএমটিপি সার্ভার কী?
এসএমটিপি মানে হল সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রটোকল। এই সার্ভার এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে মেইল প্রেরণের বিষয়টি দেখে থাকে। যখন আমরা কোনও ইমেইল এড্রেসে ইমেইল পাঠাই তখন সেটি এসএমটিপি সার্ভার হয়ে এর প্রাপকের কাছে পৌঁছে।

আইএসপি কী?
আইএসপি হল ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার। এরা সেই কোম্পানি যারা ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকার জন্য সংযোগ সংক্রান্ত সার্ভিস দিয়ে থাকে।

এইচটিএমএল কী?
এইচটিএমএল হল হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ । এটি সেই ভাষা যে ভাষায় আমরা ওয়েবসাইটের পেজ লিখে থাকি। এমনকি এই মুহূর্তে আপনি যে পেইজ পড়ছেন তা এইচটিএমএলে লেখা। এটি স্ট্যান্ডার্ড জেনারেলাইজড মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ বা এসজিএমএলের সাবসেট , যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত।

হাইপারলিঙ্ক কী?
হাইপারলিঙ্ক বা শুধু লিঙ্ক হল কোনও ইলেকট্রনিক ডকুমেন্টের মধ্যে থাকা সিলেক্ট করার যোগ্য উপাদান যা অন্য ইলেকট্রনিক ডকুমেন্টে যাওয়ার প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত অন্য কোনও লিঙ্কড রিসোর্সে যাওয়ার জন্য আমরা এই লিঙ্কে ক্লিক করি। বিভিন্ন বাটন, আইকন, ইমেজ ম্যাপ আর ক্লিকেবল টেক্সট লিঙ্ক ইত্যাদিকে হাইপারলিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

ডিএনএস কী?
ডিএনএস এর পূর্ণ নাম হল ডোমেইন নেম সিস্টেম। কেউ আপনার ডোমেইন নেম টাইপ করলে যেমন www.example.com টাইপ করলে আপনার ব্রাউজার ডোমেইন নেম সিস্টেমকে জিজ্ঞেস করবে সেই আইপি এড্রেস খুঁজে বের করতে যা আপনার সাইটকে হোস্ট করছে। যখন আপনি আপনার ডোমেইন নেম রেজিস্টার করবেন, তখন ডোমেইন নেমের সাথে আইপি এড্রেসও ডিএনএসে রাখা হবে। এটি করা ছাড়া ডোমেইন নেম ঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না।

ডবলুথ্রিসি কী?
ডবলুথ্রিসির পুরো মানে হল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম । এটি একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়াম যার আওতায় আছে ইন্টারনেট ও ওয়েবের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানি।

১৯৯৪ সালে টিম বারনারস লি ডবলুথ্রিসি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিযোগিতামূলক কারণে বহুমুখী বিভাজন নয় বরং ওপেন স্ট্যান্ডার্ডের মত একমুখী উন্নয়নের প্রত্যাশায় এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এইচটিটিপি ও এইচটিএমএলের মূল স্ট্যান্ডার্ড বডি হল এই ডবলুথ্রিসি।

ওয়েবঃ এটি কীভাবে কাজ করে?
একদম সরল ভাবে দেখতে গেলে, ওয়েব নিচের উপাদানগুলোর সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে,
• আপনার পারসোনাল কম্পিউটারঃ যেখানে বসে আপনি ওয়েবকে দেখেন বা যুক্ত থাকেন।
• ওয়েব ব্রাউজার ঃ আপনার পিসিতে ইন্সটল করা সফটওয়ার যা ওয়েব ব্রাউজিং করতে আপনাকে সাহায্য করে,
• ইন্টারনেট সংযোগঃ আইএসপি এই সুবিধা দেয় আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো সাইটে যাওয়ার সুযোগ করে দেয় আপনাকে।
• ওয়েব সার্ভারঃ একটি কম্পিউটার যাতে ওয়েবসাইট হোস্টেড থাকে।
• রাউটার আর সুইচঃ এটি সফটওয়ারের ও হার্ডওয়ারের সমন্বয় যা আমাদের রিকোয়েস্ট নিয়ে সার্ভারে পৌঁছে দেয়।

ওয়েবকে ক্লায়েন্ট সার্ভার সিস্টেম বলে, আপনার কম্পিউটার ক্লায়েন্ট, আর রিমোট কম্পিউটার যেখানে ইলেকট্রনিক ফাইল সংরক্ষিত থাকে সেটি সার্ভার।

ওয়েব যেভাবে কাজ করেঃ Google.com বা এরকম কিছুতে আমরা যখন প্রবেশ করি তখন রিকোয়েস্ট ইন্টারনেটের অনেক স্পেশাল কম্পিউটার যথা ডোমেইন নেম সিস্টেমে চলে যায়। বিভিন্ন রাউটার আর সুইচের মাধ্যমে সেগুলো রাউটেড হয়। ডোমেইন নেম সার্ভার মেশিন নেম ও আইপি এড্রেস সংরক্ষণ করে, তাই আমরা যখন Google.com টাইপ করি তখন সেটি একটি নাম্বারে রূপান্তরিত হয়, এটি সেই কম্পিউটার চিনে নেয় যা আপনার কাছে গুগলের সাইটকে তুলে ধরবে।

যখন আমরা ওয়েবে কোনও সাইট দেখি তখন ব্রাউজার ব্যবহার করে আমরা কোনও পেজকে রিকোয়েস্ট করি। ডোমেইন নেমকে আইপি এড্রেসে রূপান্তরের জন্য ব্রাউজার ডোমেইন নেম সার্ভারকে রিকোয়েস্ট করে। এরপর ব্রাউজার এইচটিটিপি ব্যবহার করে আমরা যে পেজ খুজছি তার জন্য রিকোয়েস্ট জানায়।

সার্ভার সবসময় ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে, যাতে রিকোয়েস্ট পাওয়ার সাথেসাথে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী ব্রাউজারে ডকুমেন্ট পাঠানো যায়। কোনও রিকোয়েস্ট পাওয়ার পর সার্ভার ক্লায়েন্টের আইপি এড্রেস, আবেদিত ডকুমেন্ট আর রিকোয়েস্টের তারিখ ও সময় ইত্যাদি লগ করে রাখে। এসব তথ্য সার্ভার থেকে সার্ভারে পরিবর্তনশীল।

সাধারণত ওয়েবপেজ গুলোয় ওয়েব সার্ভার থেকে একাধিক ফাইল চাওয়া হয়, এইচটিএমএল বা এক্সএইচটিএমএল ছাড়াও ইমেজ, স্টাইল শিট ও অন্যান্য রিসোর্সও রিকোয়েস্টে থেকে থাকে। মেইন পেজসহ এইসব ফাইলের প্রত্যেকের জন্য ইউআরএল লাগবে। এসব আইটেমকে ওয়েব সার্ভার থেকে ওয়েব ব্রাউজারে পাঠানো হয়, ব্রাউজার এইসব তথ্য একত্র করে ওয়েবপেজ আকারে প্রদর্শন করে।

ওয়েব ব্রাউজারের প্রকারভেদঃ
ওয়েব ব্রাউজার আমাদের পিসিতে ইন্সটল করা সফটওয়ার। ওয়েবে ঢুকতে আমাদের একটি ওয়েব ব্রাউজার দরকার। আমাদের সাইট tutorialspoint.com নেভিগেট করার সময় আপনি অবশ্যই কোনও ব্রাউজার ব্যবহার করছেন।

চারটি প্রধান ওয়েব ব্রাউজার আছে যা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স, সাফারি, নেটস্কেপ। আরও কিছু ব্রাউজার আছে, এখান থেকে Complete Browser Statisticsআপনারা সেগুলো সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন।

যখন কোনও সাইট বানানো হয়, তখন চেষ্টা করা হয় যত বেশি ব্রাউজারের সাথে যেন তা কার্যকর হয়। বিশেষ করে এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স, সাফারি, নেটস্কেপ, ক্রোম, অপেরা ইত্যাদি ব্রাউজারের সাথে যেন অবশ্যই কমপেটিবল হয়, সেদিকে দৃষ্টি দেয়া দরকার।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারঃ bie_ieমাইক্রোসফটের একটি প্রোডাক্ট। ১৯৯৫ সালে উইন্ডোজ ৯৫ এর সাথে বাজারে আসে, ১৯৯৮ সালে নেটস্কেপ পপুলারিটি অর্জন করে। এটি বিশ্বে সর্বাধিক ব্যবহৃত ব্রাউজার।

এখান থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সর্বশেষ সংস্করণ পেতে পারেন, Download Internet Explorer।

নেটস্কেপঃbns ১৯৯৪ সালে এর যাত্রা শুরু। এর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্যই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারকে বাজারে আনা হয়েছিল। নেটস্কেপের সর্বশেষ সংস্করণ পেতে পারেন এখান থেকে, Download Netscape।
মজিলাঃ bmzমজিলা একটি ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার, আদর্শ কমপ্লায়েন্স, পারফর্মেন্স আর পোর্টেবিলিটির জন্য একে ডিজাইন করা হয়েছিল। এর ডেভলপ ও টেস্টিং করার সময় ফোরাম, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং টুল, রিলিজ ও বাগ ট্র্যাকার ইত্যাদির সমন্বয় করা হয়েছিল। মজিলা কোড ভিত্তিক ব্রাউজার পরিবার এখন দ্বিতীয় বৃহত্তম অবস্থানে আছে ব্রাউজারদের মধ্যে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৩০ শতাংশের অবলম্বন।

মজিলার সর্বশেষ সংস্করণ পেতে পারেন এখান থেকে, Download Mozilla

কনকুয়ারারঃ bkq কনকুয়ারার ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার, এইচটিএমএল ৪.০১ এর সাথে সমন্বিত, জাভা এপ্লেট, জাভাস্ক্রিপ্ট, সিএসএসএর ১ ও ২.১ সংস্করণ আর নেটস্কেপ প্লাগিন সমর্থন করে। এটি ফাইল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে আবার একই সাথে লোকাল ইউনিক্স ফাইল সিস্টেমে বেসিক ফাইল ব্যবস্থাপনাকে সাপোর্ট করে। সরল কাট কপি পেস্ট থেকে এডভান্সড রিমোট ও লোকাল নেটওয়ার্ক ফাইল ব্রাউজিং সমর্থন করে। এখান থেকে Download Konqueror পেতে পারেন
ফায়ারফক্সঃbff মজিলা থেকে উদ্ভূত, ২০০৪ সালে বাজারে আসে, ইন্টারনেটের দ্বিতীয় জনপ্রিয় ব্রাউজার। সর্বশেষ সংস্করণ পেতে Download Firefox ভিজিট করুন।

সাফারিঃ bsfএপলের ডেভলাপকৃত ওয়েব ব্রাউজার। ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম সমর্থন করে, ২০০৩ সালে বাজারে এসেছিল। এক্সএইচটিএমএল, সিএসএস২ ইত্যাদি প্রযুক্তির সাথে ভাল কাজ করে এই ব্রাউজার। সর্বশেষ সংস্করণ পেতে দেখুন, Download Safari।

অপেরাঃ bopঅপেরা অন্যান্য ব্রাউজার থেকে ছোট আর দ্রুত, যদিও এর সব ফিচারই আছে। দ্রুত, ইউজার ফ্রেন্ডলি, কীবোর্ড ইন্টারফেস, মাল্টিপল উইন্ডো, জুম ফাংশন আর জাভা ও নন জাভা উভয় ভার্সনও পাওয়া যায় এটির। নতুন ও কম বয়স্কদের জন্য বেশ উপযোগী।

সর্বশেষ সংস্করণ পেতে দেখুন, Download Opera।
লিনাক্সঃbln এটি ইউনিক্স, ভিএমএস আর যেসব প্লাটফর্ম কার্সর এড্রেসেবল ক্যারেক্টার সেল টার্মিনালে চলে তাদের জন্য ফুল ফিচারড ব্রাউজার , এখান থেকে এটি পেতে পারেন, Download Lynx।

ওয়েব সার্ভারের টাইপঃ
প্রতিটা ওয়েবসাইট যে কম্পিউটারে প্রতিষ্ঠিত আছে তাকে ওয়েব সার্ভার বলে। এই সার্ভার সবসময় ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে। ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সকল ওয়েব সার্ভারের একটি স্বতন্ত্র এড্রেস থাকে, যা ০ থেকে শুরু করে ২৫৬ পর্যন্ত কোনও চার সংখ্যার সিরিজের মাধ্যমে প্রকাশিত আর যা পিরিয়ড দ্বারা পরস্পর থেকে পৃথক করা। যেমন, 68.178.157.132 অথবা 68.122.35.127।
চারটে শীর্ষস্থানীয় ওয়েব সার্ভার আছে, Apache, IIS, lighttpd আর Jagsaw।

Permanent link to this article: http://bangla.salearningschool.com/%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%83/

//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js //pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js

Leave a Reply

%d bloggers like this: